রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
বাংলার নয়ন সংবাদঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মাদ্রাসা গুলোতে দাখিল পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় হয়ে পড়েছে। অধিকাংশ মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি। বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা স্বল্প। এর মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থীর চেয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক না থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারন তো আছেই। মুকসুদপুরে এবার ২০২১-২০২২শিক্ষাবর্ষে উপজেলার ২০ টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল মোট ৪৭০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৮৬ জন অকৃতকার্য হয়েছে ১৮৪ জন এবং এ+ পেয়েছে মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী। অধিকাংশ মাদ্রাসায় এ বছরে দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় একতৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। এ সকল এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসা গুলোতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সরকারি বরাদ্দকৃত প্রতি মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার অধিক বেতন-ভাতা পেয়ে থাকে। বেতন ভাতা ঠিকমতো পেলেও মাদ্রাসা গুলোর শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে পারেনি। অভিভাবকরা জানায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের গাফিলতির কারনেই মাদ্রাসা গুলো শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে পারছেনা। মাদ্রাসা গুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। এবার উপজেলার ২০ টি মাদ্রাসা ৪৭০ জন শিক্ষার্থী এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রন করে। এদের মধ্যে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মাদরাসায় ১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলেও পাশ করেছেন ৪ জন। প্রভাকরদী এ,এস দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ২০ জন পাশ করছে ৬ জন। শেখ আব্দুল রাজ্জাক আলিম মাদ্রাসা পরীক্ষা দিয়েছিল ২১ জন, পাশ করেছে ৩ জন। পাঁছড়া আসলাম মুন্সি দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ১৮ জন, পাশ করছে মাত্র ০৬ জন। আলহাজ্ব আব্দুল গফুর দাখিল মাদ্রাসায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিল ১১ জন পাশ করছে ২ জন।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাদৎ মোল্যার সাথে আলাপকালে তিনি জানান সকল প্রতিষ্ঠানের ফলাফল জমা দেওয়ার জন্য। ফলাফল হাতে পেলেই যেসকল প্রতিষ্ঠান খারাপ করেছে তাদের কে জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে।