রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে চাকা ফেটে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালকসহ আহত বেশ কয়েকজন মুকসুদপুরে জ্বালানী তেল মজুদ করায় এক ব্যবসায়ীর ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুকসুদপুরে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা মুকসুদপুরে আইফোন ও টাকার লোভে বন্ধুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ মুকসুদপুরে নিলু মুন্সির হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুকসুদপুরে গণহত্যা ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা সালথায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ালেন শামা ওবায়েদ মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ মুকসুদপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মোবাইল কোর্ট শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বল্লভদীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
মুকসুদপুরে ‘ঘুষ’ না দিলে বন্দোবস্ত বাতিলের হুমকি ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে

মুকসুদপুরে ‘ঘুষ’ না দিলে বন্দোবস্ত বাতিলের হুমকি ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে

বাংলার নয়ন সংবাদঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ করেছেন পাঁচ ভূমিহীন পরিবার। ঘুষ না দিলে বন্দোবস্ত পাওয়া জমির দলিল বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে জলিরপাড় এলাকার ভূমিহীনদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয় প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর গত ১৩ এপ্রিল লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। তবে অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার জলিরপাড় এলাকার ৯টি ভূমিহীন পরিবার ২০১৯ সালে বন্দোবস্ত দলিল বুঝে পান। কিন্তু স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যুর হামলা-মামলার কারণে দখলে যেতে পারেনি তারা। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ২০২৪ সালের অক্টোবরে জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. ইমারত হোসেন মিয়া, সার্ভেয়ার বাবুল হোসেন জমি পরিমাপ করে বুঝিয়ে দেন এবং লাল পতাকা টাঙিয়ে দেন। তবে এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সবাই। হঠাৎ করে স্থানীয় ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস তাদেরকে জনিয়েছেন, জমির বিষয়ে তাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। বন্দোবস্ত জমির দলিল বাতিল চেয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। প্রতিবেদন পক্ষে নিতে হলে প্রত্যেকের ৫০ হাজার করে টাকা দিতে হবে। না দিলে দলিল বাতিল করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

ভুক্তভোগী জামেলা খানম বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ সরকার থেকে ভূমিহীন জমি বন্দোবস্ত পেয়েছি। পাঁচ বর পর দখল বুঝে পেয়েছি। এখন আবার জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস আমাদের অফিসে ডেকে নিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বন্দোবস্ত জমির বিষয় আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা জমির দলিল বাতিল চেয়ে প্রতিবেদন পাঠাবো। প্রতিবেদন পক্ষে দিতে ৫০ হাজার করে টাকা দিতে হবে।’ আমরা গরীব মানুষ এতো টাকা কোথায় পাব?।

একই অভিযোগ করেছেন ওই এলাকার সেলিনা বেগম, রিনা বেগম, কহিনুর বেগম ও বাবুল প্রধান।

এদিকে, অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করেছেন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস বলেন, স্থানীয় কিছু লোকজন সরকারি ভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। আমি ডিসি স্যারের নির্দেশে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন এবং তালিকা তৈরি করে পাঠিয়েছি। যে কারণে ওইসব লোকজন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা-ভিত্তিহীন। অভিযোগের বিষয় প্রমাণ না করতে পারলে প্রয়োজনে আমি মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবো।’

অভিযোগের বিষয় মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসনিম আক্তার বলেন, ‘বিষয়টি আপনার (সাংবাদিক) মাধ্যমে জানলাম। খোঁজ নিয়ে পরে বলতে পারবো।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com