শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন মুকসুদপুরে ১৪ কেজি গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি করতে হবে: শামা ওবায়েদ মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে এলজিইডির কর্মশালা মুকসুদপুর সরকারি এসজে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা মুকসুদপুরে ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের সমাপনী ও সার্টিফিকেট বিতরণ মুকসুদপুরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমীন বিশ্বাস মুকসুদপুরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনের সচেতনতামূলক সভা মুকসুদপুরে শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ মুকসুদপুরে বিষপানে ছেলের মৃত্যু, লাশ দেখে বাবারও প্রাণ গেল
মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন

বাংলার নয়ন সংবাদ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এমপিও বন্ধ হওয়ার ভয়ে মুকসুদপুর মডেল মহিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২৪ জন শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আলিম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থীরা অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে গিয়ে ব্যর্থ হলে বিষয়টি জানাজানি হয়।
জানাগেছে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নে লোহাচুড়া গ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানে স্ত্রী নামে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা মডেল মাদ্রাসা খ.ম শাহাদৎ হোসেন মিজান নামের এক ব্যক্তি ১৯৯৬ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে দাখিল মাদ্রাসা পরে আলিম, ফাজিল মাদ্রাসায় উত্তীর্ণ করা হয়। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে মুকসুদপুর মহিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা করা হয়।

প্রতিবছরই মাদ্রাসাটিতে দাখিল পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এভাবে জোর করে আলিমে ভর্তি করায় হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীর অভিযোগ, চলতি বছর মাদ্রাসাটি থেকে দাখিল পরীক্ষায় ৩১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৫ জন কৃতকার্য হয়। এর অধিকাংশই মাদ্রাসাটির আলিম শ্রেণিতে ভর্তি না হয়ে উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার স্বপ্ন দেখছিল। গত বুধবার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী মুকসুদপুর সদর বাজারে একটি দোকানে অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে যায়। পরে যে জানতে পারে তার আবেদন করা হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষার্থীরা বলে, ঘটনাটি ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষককে জানানো হলে তিনি নিশ্চিত করেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ বছর ২৫ জনের আবেদন করে ফেলা হয়েছে। এ কারণেই তারা আর আবেদন করতে পারছে না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যে তাদের সবার ভর্তি আবেদন করে ফেলেছে, বিষয়টি একজন শিক্ষার্থীকেও জানানো হয়নি। প্রতিবছরই দাখিল পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমনটা করে আসছে ওই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের চেষ্টা করি কৃতকার্য হলে তারা এই মাদ্রাসাতেই আলিম শ্রেণিতে পড়বে। এ কারণেই অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হওয়ার পরই তাদের সবার আবেদন করে দিয়েছি।

মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজা বেগম জানান, অনলাইনে ভর্তির আবেদনটি শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকরা ডিসিশন নিবে শিক্ষার্থী কোথায় পড়বেন তার ব্যাপার। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যদি এমন কাজ করে থাকে, এটি অবশ্যই অন্যায়। যদি শিক্ষার্থীরা নিজেরাই সেখানে পড়তে চায়, তাহলে ভিন্ন বিষয়। বিষয়টি আমাদেরকে কেউ জানায়নি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহামুদ আশিক কবির জানান, উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা কোথায় ভর্তির আবেদন করবে, সেটা সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের বিষয়। এই ঘটনা সত্যি কিনা সেটা তদন্ত করে প্রচলিত বিধি অনুযায়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com