বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
বাদশাহ মিয়াঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গ্রামীণ সড়ক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এর আয়োজনে, উপজেলা পরিষদ বিজয় সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোপালগঞ্জ জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ রুবাইয়াত জামান।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রকৌশলী বি এম মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণমূলক আলোচনা করেন, বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেডের বিশ্লেষক ধরনী চাকমা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মতিয়ার রহমান, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যানগণ, মুকসুদপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, মুকসুদপুর বাজার বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
এ কর্মশালার মূল বিষয় ছিল গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, সড়ক উন্নয়ন অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাইকরণ।
কর্মশালার প্রধান আলোচ্য বিষয়সমূহের মধ্যে, কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে বেগবান করতে স্থানীয় হাট-বাজার, বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মূল সংযোগ সড়কের সাথে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোকে কোর রোড নেটওয়ার্ক’-এর অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি: অর্থনৈতিক গুরুত্ব, চলাচলের ঘনত্ব এবং বর্তমান রাস্তার করুণ অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সড়ক উন্নয়নের অগ্রাধিকার তালিকা চূড়ান্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। জিআইএস ম্যাপিং ও ডাটাবেজ জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিটি সড়কের সঠিক দৈর্ঘ, অবস্থান ও স্যাটেলাইট ডাটাবেজ হালনাগাদ করার কৌশল প্রদর্শন করা হয়। মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই প্রস্তুতকৃত খসড়া ম্যাপ ও তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অংশীজনদের সাথে নিয়ে মাঠপর্যায়ে সড়কসমূহ পুর্নযাচাই করার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, এই মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত হলে গ্রামীণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় বা পরিকল্পনাহীন সড়ক নির্মাণ বন্ধ হবে। সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের ফলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং কৃষি পণ্য পরিবহন সহ গ্রামীণ জনপদের সার্বিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।