বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
তারিকুল ইসলামঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে করোনার থাবায় বন্ধ দোকানপাট, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত ১১ জুলাই থেকে উপজেলার সবজি বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানপাট প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত খোলা থাকলেও অন্য সব ধরণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
কাচাবাজার, মুদিদোকান ও ঔষধের দোকান খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে কাপড়ের দোকান, কসমেটিকস দোকন, জুতার দোকন, জুয়েলারী দোকান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, মোবাইলের দোকান, হার্ডওয়ারের দোকন, ওয়ার্কশপ, সেলুন দোকান, ফার্নিচার দোকান, হোটেল, কুলিং কর্ণারসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়ে দোকানের মালিক-কর্মচারীসহ হাজারও মানুষ। ঈদকে সামনে রেখে যেখানে ব্যবসায়ীদের কেঁনাবেচার ধুম পড়ার কথা সেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘরেই বসে আছেন কপালে হাত দিয়ে। তাছাড়াও বন্ধ রয়েছে ছোট খাট পানের দোকান ও চা দোকান গুলো। তাদের দিন দিন করুন অবস্থা বেড়েই চলেছে। ছোট বড় সব ধরণের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে উপজেলার অসংখ্য দোকানিসহ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন দোকানে কর্মরত কর্মচারীরা। মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা। এমতাবস্থায় ধমকে গেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
দীর্ঘদিন দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বিরাট অংকের লোকসান গুনছেন। এসব ব্যবসায়ীদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে যারা বিপুল অংকের টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলেন তাদের মাথায় হাত।
মুকসুদপুরের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, প্রতি বছর ঈদে তাদের পণ্য বেশি বিক্রি হয়। বিশেষ করে ঈদুল আজাহা সামনে রেখে পোশাক-আশাকসহ অন্যান্য সামগ্রী উৎপাদন ও আমদানিতে ব্যস্ত থাকতে হয়। কিন্তু এবার সেই ব্যস্ততা নেই। করোনা ছোট-বড় সব ব্যবসায়ীকে ঘরবন্দি করে ফেলেছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তির আশায় বুক বেঁধে ঘরেই থাকছেন তারা।