বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মুকসুদপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন মুকসুদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, আটক-২ মুকসুদপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মুকসুদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি মুকসুদপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মুকসুদপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউএনও  মুকসুদপুরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মুকসুদপুরে ১২৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদুল হাসান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন
মুকসুদপুরে নেই এসিল্যান্ড, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

মুকসুদপুরে নেই এসিল্যান্ড, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

বাংলার নয়ন সংবাদ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ শূন্য থাকায় সেবা বঞ্চিত সাধারণ মানুষ।

ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত দু’মাসে জমা পড়া অন্তত পনেরো শত টি নামজারি আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)  মোহাম্মদ আবুল হাসনাত এ বছরের ফেব্রুয়ারীতে বদলি হয়ে চলে যান। এরপর থেকে কার্যত উপজেলা ভূমি অফিসে এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য রয়েছে। এতে নামজারি ছাড়াও আদালত-সংক্রান্ত মামলা, মিসকেসসহ বিভিন্ন ভূমি-সংক্রান্ত কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। নামজারি সম্পন্ন না হওয়ায় অনেকেই জমি ক্রয়-বিক্রয় ও মালিকানা হস্তান্তর করতে পারছেন না। ফলে আর্থিক লেনদেন বন্ধ হয়ে সাধারণ মানুষ পড়েছেন বিপাকে।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাসের পর মাস ভূমি অফিসে ঘুরেও কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান মিলছে না। জিনাত হোসেন, সুজন শেখ সহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, অনেকদিন আগে জমি কিনেছি। নামজারি না হওয়ায় রেজিস্ট্রি করা জমি ব্যবহার করতে পারছি না। বারবার অফিসে এসে শুধু আশ্বাসই পাচ্ছি। এদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) না থাকার সুযোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু ও মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত চক্র আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিয়মিত বাজার তদারকি ও আইনগত পদক্ষেপের অভাবে অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটার ঘটনা বেড়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে মুকসুদপুর উপজেলায় একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়োগ না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে। এ বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিসের একটি সূত্র জানায়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) না থাকায় নামজারি ও মামলা নিষ্পত্তিতে জট তৈরি হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির বলেন, “নামজারি কার্যক্রম বন্ধ নেই, নিয়মিতভাবেই তা চলমান রয়েছে। তবে বর্তমানে পৌরসভাসহ একযোগে বেশ কয়েকটি দপ্তরের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, এতে কাজের চাপ অনেক বেড়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি তেল বাজার মনিটরিং অবৈধ মাটি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানও পরিচালনা করতে হচ্ছে। তবুও জনগণের ভোগান্তি কমাতে, নিজ উদ্যোগে নামজারি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।”

এলাকাবাসী দ্রুত সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সাধারণ মানুষের আশা, অতি দ্রুত শুন্যপদ পুরন হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com