শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মুকসুদপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন মুকসুদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, আটক-২ মুকসুদপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মুকসুদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি মুকসুদপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মুকসুদপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউএনও  মুকসুদপুরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মুকসুদপুরে ১২৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদুল হাসান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন
কাশিয়ানীতে একটি স্কুলের ২০ পরীক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি

কাশিয়ানীতে একটি স্কুলের ২০ পরীক্ষার্থীর কেউ পাস করেনি

কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শ্রীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এরমধ্যে একজন পরীক্ষার্থীও সকল বিষয় পাস করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ঢাকা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।

জানা গেছে, উপজেলার ৩৯টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৮টি বিদ্যালয় থেকে ১ হাজার ২৮৯ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। কিন্ত একমাত্র শ্রীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একজনও পাস করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১২০জন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ ৭ জন শিক্ষক রয়েছেন এবং বিদ্যালয়টি এমপিওভূক্ত। ফল বিপর্যয়ের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা।

এলাকার বাসিন্দা পারভেজ মুন্সী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ স্কুল থেকে কেউ পাস করেনি। এটা আমাদের এলাকাবাসীর জন্য খুবই লজ্জার ও দুঃখজনক। শিক্ষকরা ঠিক মতো ক্লাস নেন না। তারা এলাকার ‘গ্রাম্য রাজনীতির’ সাথে জড়িত। এলাকায় দুটি গ্রুপ রয়েছে। শিক্ষকরাও দু’গ্রুপে বিভক্ত। শিক্ষকদের কিছু বললে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এছাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। শিক্ষকদের গাফিলতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।’

প্রধান শিক্ষক জগবন্ধু বিশ্বাস বলেন, ‘স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কম। অভিভাবকরা অসচেতন। আমরা অভিভাবকদের একাধিকবার ডাকলেও তারা স্কুলে আসেনি। এছাড়া ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কারণে এবার হয়তো অটো পাস দিতে পারে এ ধারণা থেকে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করেনি। আশা করি আগামী এ ধরণের আর হবে না। বদনাম ঘুচাতে পারবো।’

গণিত শিক্ষক গোপাল বিশ^াস বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নেই। অবকাঠামো সমস্যা রয়েছে। তার মধ্যেও আমরা সাতজন শিক্ষক অনেক কষ্টে পাঠদান অব্যাহত রেখেছি।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজা বেগম বলেন, ‘যেটা হয়েছে খুবই দুঃখজনক। শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত মোবাইল আসক্ত এবং শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি অনাগ্রহ। তবে স্কুলের শিক্ষকদের পাঠদান ও শিক্ষার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখা হবে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com