শনিবার, ২৭ Jun ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
মুকসুদপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে নারকেল গাছের চারা ও সার বিতরণ মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন মুকসুদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার, আটক-২ মুকসুদপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মুকসুদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি মুকসুদপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু মুকসুদপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউএনও  মুকসুদপুরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মুকসুদপুরে ১২৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদুল হাসান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন
মুকসুদপুরে ১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর চাকরি!

মুকসুদপুরে ১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর চাকরি!

বাংলার নয়ন সংবাদ:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে দশ লাখ টাকায় নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ১০ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং ২৬ সেপ্টেম্বর দুদকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ফরিদ আহম্মদ তালুকদার। তিনি উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অযোগ্য কোনো প্রার্থীকে টাকার বিনিময় নিয়োগ না দেয়ার দাবি জানান।
অভিযোগে জানানো হয়, সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তির পর ২০ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে বাছাইয়ে পাঁচজন বাদ পড়েন। প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ এনে ছয়জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। বাকি নয়জন ২২ জুন পরীক্ষা দেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নয়জনকে ভাইভায় ডাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ভাইভার ফলাফল না দিয়েই উজানী গ্রামের দিনেশ সরকারের ছেলে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার। বিনিময়ে তিনি নেন দশ লাখ টাকা। তন্ময় সরকারকে ১৬ অক্টোবর নিয়োগ দিয়ে পর দিন যোগদান করান।
শাম্মি আক্তারের যোগসাজশে অযোগ্য প্রার্থীকে প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সমাধান করেন। অনেক মেধাবী প্রার্থী থাকা সত্তেও টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক।এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং দুদকে আবেদন করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদত আলী মোল্যা বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখা হবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার জানান, আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট, নিয়োগে কোনো আর্থিক বাণিজ্য ও অনিয়ম করা হয়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com