মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে চাকা ফেটে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালকসহ আহত বেশ কয়েকজন মুকসুদপুরে জ্বালানী তেল মজুদ করায় এক ব্যবসায়ীর ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুকসুদপুরে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা মুকসুদপুরে আইফোন ও টাকার লোভে বন্ধুকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ মুকসুদপুরে নিলু মুন্সির হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুকসুদপুরে গণহত্যা ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতি সভা সালথায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়ালেন শামা ওবায়েদ মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ মুকসুদপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে মোবাইল কোর্ট শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বল্লভদীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
মুকসুদপুরে ১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর চাকরি!

মুকসুদপুরে ১০ লাখ টাকায় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর চাকরি!

বাংলার নয়ন সংবাদ:

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে দশ লাখ টাকায় নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ১০ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং ২৬ সেপ্টেম্বর দুদকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ফরিদ আহম্মদ তালুকদার। তিনি উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের খাঞ্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অযোগ্য কোনো প্রার্থীকে টাকার বিনিময় নিয়োগ না দেয়ার দাবি জানান।
অভিযোগে জানানো হয়, সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি দেয় বি.ইউ.কে ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তির পর ২০ জন আবেদন করেন। এর মধ্যে বাছাইয়ে পাঁচজন বাদ পড়েন। প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ এনে ছয়জন পরীক্ষায় অংশ নেননি। বাকি নয়জন ২২ জুন পরীক্ষা দেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নয়জনকে ভাইভায় ডাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ভাইভার ফলাফল না দিয়েই উজানী গ্রামের দিনেশ সরকারের ছেলে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার। বিনিময়ে তিনি নেন দশ লাখ টাকা। তন্ময় সরকারকে ১৬ অক্টোবর নিয়োগ দিয়ে পর দিন যোগদান করান।
শাম্মি আক্তারের যোগসাজশে অযোগ্য প্রার্থীকে প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সমাধান করেন। অনেক মেধাবী প্রার্থী থাকা সত্তেও টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তন্ময় সরকারকে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক।এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এবং দুদকে আবেদন করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাদত আলী মোল্যা বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখা হবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাম্মি আক্তার জানান, আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট, নিয়োগে কোনো আর্থিক বাণিজ্য ও অনিয়ম করা হয়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..




© All rights reserved 2024 Banglarnayan
Design & Developed BY ThemesBazar.Com